ব্রেকিং নিউজ

মাদারগঞ্জে সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঃ গনির নানান অনিয়ম,বদলির দাবী এলাকাবাসীর

ইসমাইল হোসেন ,সরিষাবাড়ী(জামালপুর)প্রতিনিধিঃ জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় সিধুঁলী ইউনিয়নে অন্তর্গত রায়ের ছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল গনির বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ তুলে বদলির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

জানা গেছে, রায়ের ছড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আঃ গনি দায়িত্ব প্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি নানান অনিয়মের সাথে জড়িত। জানা যায়, তিনি নিয়মিত স্কুলে আসেন না, এলেও দেরিতে আসেন এবং স্কুল ছুটির নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই আবার চলে যান।

যতক্ষণ স্কুলে থাকেন,ততোক্ষণ ঠিকমত পাঠদান না করিয়ে জোরপূর্বক কচিকাঁচা শিশুদের দিয়ে নিজের মাথার পাকাচুল উঠান এবং পাঠদানের সময় ক্লাশে শিশুদের বেতাঘাত সহ অশ্লীল বাক্য ব্যবহার করেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

অত্র বিদ্যালয়ের জমিদাতা এবং প্রতিষ্ঠিতা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হায়দার আলী জানান,বিদ্যালয়ের প্রতি অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথ ভাবে বিদ্যালয়ের কাজে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করেন তিনি এবং বলতে গেলে বর্হিরাগত লোকজন দিয়ে মারার হুমকি দেন বলে জানান।

সভাপতি আরও বলেন ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্য ও সভাপতির স্বাক্ষর নানান প্রয়োজনে তিনি হরহামেশাই জালিয়াতি করেন। যার প্রমাণাদিও রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। অপরদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আঃ গনি ও তার স্ত্রী পারুল রেখা একই স্কুলে শিক্ষকতা করায় দুইজনের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়াঝাঁটি হয় এবং স্কুল মাঠে অকথ্য ভাষায় চিল্লাচিল্লি করেন তারা বলে জানান এলাকাবাসী। শিক্ষকদের এমন অশ্লীল আচরণ ও কথাবার্তা শুনে শিক্ষার্থীরা দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠছেন বলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুশিক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন এলাকার নেতৃত্ব স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় রায়ের ছড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এমন বেহাল দশা দেখে অনেক অভিভাবকই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন,তাদের ছেলেমেয়েদের আর স্কুলে পাঠাবেন না। এমতাবস্থায় এলাকার অভিভাবকবৃন্দ ও ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে প্রমানণস্বরূপ অভিযোগ পত্র প্রেরণ করেন, মহাপরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা,অতিরিক্ত পরিচালক ময়মনসিংহ বিভাগ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে রায়ের ছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল গনির কাছে জানতে চাইলে, তিনি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং উক্ত বিষয়টি পাশ কাটিয়ে যান।