ব্রেকিং নিউজ

সরিষাবাড়ী মাহামুদা সালাম মহিলা কলেজ উপবৃত্তির নামে বাণিজ্য করছে নেপথ্যে

ইসমাইল হোসেন,সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভায় অবস্থিত সরিষাবাড়ী মাহামুদা সালাম মহিলা কলেজের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন উক্ত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,কলেজ কর্তৃপক্ষ উপবৃত্তি দেবার নাম করে প্রতি জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এক হাজার করে টাকা নিচ্ছেন নেপথ্যে। যদিও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থের অভাবে শিক্ষার সুযোগ হতে বঞ্চিত দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা সুনিশ্চিত করণের লক্ষ্যে উপবৃত্তি প্রদানকৃত প্রক্রিয়া চালু করেছেন।কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষকদের অনৈতিক স্বার্থান্বেষী ধ্যান-ধারণার রোষানলে প্রকৃত উপকারভোগীরা হরহামেশাই উক্ত প্রকল্পের আওতায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তাই দেশ ও সমাজের অন্তধ্যানী শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলছেন, মানব সম্পদের উন্নয়ন করতে হলে শিক্ষার মান ও পদ্ধতি পরিবর্তন করা অপরিহার্য। কারণ দেশের মোট জনগোষ্ঠীর এক বিশাল অংশ বা অর্ধেকই হচ্ছে নারী। তাদের মধ্যে আবার বিশাল একটি অংশ দারিদ্র্য বাল্যবিবাহ, আর্থ-সামাজিক, পারিপার্শ্বিক অবস্থা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ইত্যাদি কারণে শিক্ষালাভ হতে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই সরকার যদি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ ও মেধাশক্তিকে যথাযথ ভাবে কাজে লাগাতে চায়। তাহলে অবশ্যই শিক্ষাঙ্গনের নীতিভ্রষ্ট দুর্নীতিবাজ শিক্ষক তথা গগভর্নিং বডি/ব্যবস্থাপনা পর্ষদ বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া আবশ্যক।

কারণ স্বাধীনতার চেতনায় গড়া সোনার বাংলায় অশুভ প্রেতাত্মাদের ছোয়ায় কলুষিত হবে পবিত্র শিক্ষাঙ্গন আর অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ড থেকে বঞ্চিত হবে নারী সমাজ এটা নিশ্চয়ই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শিক স্বপ্ন নয় বলে জানান সুধী সমাজ । এদিকে উপবৃত্তির নামে উৎকোচ নেয়ার বিষয়টি উক্ত কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী রমেশ চন্দ্র সূত্রধর এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপবৃত্তির নামে টাকা নেওয়া এটা নতুন কিছু নয়। কলেজ কর্তৃপক্ষ পূর্বেও নিয়ে এসেছে, তাই আমিও নিচ্ছি।