ব্রেকিং নিউজ

অসৎ ও চরিত্রহীন নারী চেনার সহজ উপায় জেনে নিন

পরিবারের মধ্যে শান্তির পরিবেশ বজায় রাখতে পুরুষদের পাশাপাশি একজন নারীর ভূমিকা ও সমানভাবে কার্যকরী। দাম্পত্য জীবন সুখে শান্তিতে কাটাতে চাইলে আপনি যে নারীকে বিবাহ করতে চলেছেন তার চরিত্র সম্পর্কে অবশ্যই ভালো করে জানা উচিত। না হলে দাম্পত্য জীবনে কলহ ,অশান্তি বিবাদ লেগেই থাকে।এমন অনেক নারী রয়েছে যারা এক জন পুরুষকে সঙ্গী করে গোটা জীবন কাটাতে পারে না।

তারা একটা জীবনের মধ্যে বিভিন্ন পুরুষের সংস্পর্শে আসার চেষ্টা করে।তাই কোনো নারীকে বিবাহের পূর্বে অবশ্যই সেই নারীর চরিত্র সম্পর্কে ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। বর্তমানে, একই সময়ে বহু পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে পারে এমন নারীর সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। বিশ্বস্ত একজন নারী যার সাথে ঘর বেঁধে সুখে শান্তিতে জীবন কাটানো যায় তা খুঁজে পেতে রীতিমতো ঘাম ঝরে যায় পুরুষদের।

জীবনকে সুন্দর করে তুলতে একজন চরিত্রবান নারীর বিকল্প নেই। যারা জীবন সঙ্গী খুঁজছেন তার আগে তাদেরকে অবশ্যই জানতে হবে অসৎ নারী চেনার উপায়। এক্ষেত্রে চরিত্রবান নারী নির্বাচনে আপনি অনেকটা এগিয়ে থাকবেন।আজ আমরা এরকমই কিছু তথ্য আপনাদের জানাব যার সাহায্যে আপনারা এই অসৎ নারীদের চিনে উঠতে পারবেন।তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে অবশ্যই পড়ে আমাদের আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন টি মনোযোগ সহকারে। তাহলে চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক অসৎ নারীদের চেনার উপায় গুলি কি কি।

১)লজ্জা নারীর ভূষণ ,কিন্তু যে সমস্ত নারী যারা ভদ্র হলেও তাদের মধ্যে নির্লজ্জভাব প্রকাশিত হয়, তাদের চরিত্র মোটেও ভাল হয় না। পুরুষদের চোখের ভিতর দিকে এমন করে চেয়ে থাকে যে মনে হয় তারা তাদের ভেতরের সমস্ত কিছু পড়ে ফেলেছে। আর নারীর এরকম দৃষ্টি হলো পুরুষের সর্বনাশের কারণ। এমন মেয়ে থেকে সাবধান কেননা এরা কখনোই পুরোপুরি বিশ্বস্ত হয়ে ওঠে না।

২)মাথার চুল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করে কথা বলার সময় পুরুষের সামনে এগুলো করার মাধ্যমে পুরুষকে নিজের দিকে নজর দিতে আকৃষ্ট করতে, ইচ্ছে করেই ইঙ্গিতবাহী পোশাকও এই নারী পুরুষদের সামনে পড়ে আসে যাতে সহজেই এর দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে পড়ে।

৩) কিছু নারী পুরুষের সঙ্গে প্রথমে বন্ধুত্ব করে। তারপরে তাদের বাড়ির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকে। যার ফলে পুরুষেরা এসমস্ত নারীদের খুব সহজে বিশ্বাস করে ফেলে ,নিজের সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য সে নারীকে বলে ফেলে। তবে সাবধান এমন নারী কিন্তু পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে ওস্তাদ। এসব করে তারা প্রথমে পুরুষদের সমস্ত কিছু জেনে নেয় তারপর তারা ব্ল্যাকমেলে করে। তাই সবসময় চেষ্টা করবেন এই সমস্ত অসৎ নীদের থেকে দূরে থাকার।

৪) নানা ছুতোয় কথা বলার সুযোগ খুঁজে এই নারী এড়িয়ে গেলে বাড়িতে এসে হাজির হয়। যেহেতু ততদিনে বাড়ির লোকের সাথে পরিচিত ভালোভাবে গড়ে ওঠে তাই বাড়ির লোকের নজরেও সে বিশ্বাসযোগ্যা হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন –টেস্টোস্টেরন হরমন কি? কমে গেলে কি হয়? কিভাবে এটি বাড়ানো যায়?

৫) বারংবার দেখা করার অজুহাত খোঁজে। এবং দেখা করার সময় একান্ত দেখা করে অন্য কাউকে ডাকে না

৬) মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১-২টোর সময় মাখোমাখো মেসেজ পাঠাতে থাকে।

৭) যেসব নারী ম’দ্যপানে আসক্ত তাদের থেকে দূরে থাকুন। কারণ মদ এদের সততাকে নষ্ট করে। সাথে এই নারী চরিত্র, নিজেদের কুমা’রীত্ব হারিয়ে বসে।

৮) অসৎ নারী নানা অছিলায় যৌ’নতাকে টেনে নিয়ে আসে পুরুষদের সাথে আলোচনার সময়।এবং পুরুষকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করে আর সেই উত্তেজনাবশত কোনো পুরুষ যদি কোনো ভুল কাজ করে ফেলে তাহলে তার সমস্ত দায় এসে বলে পুরুষদের উপর। এই সমস্ত নারীরা অবলীলায় কিন্তু পুরুষদের উপর সমস্ত দায় চাপিয়ে দিতে পারে। তাই কোনো মহিলার মধ্যে উপরিউক্ত গুনগুলো দেখতে পেলে অবশ্যই সেই মহিলাকে এড়িয়ে চলা উচিত। আশাকরি আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনটি পড়ে আপনাদের কাছে একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়েছে অসৎ মহিলাদের ব্যাপারে। আপনিও তাহলে এবার বুঝতে পারবেন এই মহিলাটি অসৎ মহিলাদের মধ্যে পড়ে না কি সৎ মহিলাদের মধ্যে পড়ে। আজকের আমাদের এই বিশেষ প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।