ব্রেকিং নিউজ
রায়হান গফুর ও তার ভাই অভিযুক্ত রাজাকার জয়নাল!

সলঙ্গা থানা আ”লীগ সভাপতি রায়হান গফুরের বিরুদ্ধে রাজাকার পরিবার হতে অনুপ্রবেশের অভিযোগ!

বিশেষ প্রতিনিধি-সিরাজগঞ্জঃউত্তরবঙ্গের প্রবেশ দ্বার সিরাজগঞ্জ জেলার অত্যন্ত গুরত্বপুর্ণ থানার নাম সলঙ্গা। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় ভূমিকা রাখার জন্য সলঙ্গা জায়গাটি ঐতিহাসিক ভাবে গুরুত্বপুর্ন জায়গা দখল করে আছে। সলঙ্গা বিদ্রোহ ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীসের স্মৃতি বিজরিত এই থানাটি ৬ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত । এই থানাটি সিরাজগঞ্জের ২ টি সংসদীয় আসনে বিভক্ত । উল্লাপাড়া-সলঙ্গা সংসদীয় আসনের বররমান সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম এবং রায়গঞ্জ –তাড়াশ –সলঙ্গা আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজীজ।

গত ২৪/১০/২০১৯ তারিখে স্বাক্ষরিত সলঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের অভিযোযোগটি মাননীয় সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কার্যনির্বাহী কমিটি বরাবর লেখা । এবং অনুলিপি সমূহ জনাব ওবায়দুল কাদের এমপি , জনাব মোঃ নাসিম এমপি , জনাব জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি , জনাব খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, জনাব তানভীর ইমাম এমপি, অধ্যাপক ডাঃ আব্দুল আজীজ এমপি, জনাব অধ্যাপক ডাঃ হাবীবে মিল্লাত মুন্না এমপি এবং জনাব আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের নিকট প্রেরনের কথা উল্লেখ রয়েছে।

উক্ত অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয় যে ,”মোঃ রায়হান গফুর পিতা– দেলোয়ার হোসেন ওরফে দিদার আলী মহুরী মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন। তার আপন বড় ভাই জয়নাল আবেদিন যাহার ভোটার নম্বর- ৮৮০৬০৮৬৫২৮৬০ সাং – খারিজা ঘুঘাট, থানা –সলঙ্গা জেলা সিরাজগঞ্জ ও আপন ভগ্নিপতি মৃত আব্দুল মজিদ , পিতা – মৃত মফিজ উদ্দিন মুন্সি সাং- কুঠিপাড়া তানা – সলঙ্গা জেলা সিরাজগঞ্জ উভয়ই ১৯৭১ সালের তালিকা ভুক্ত বেতনভূগি এবং অস্ত্রধারী রাজাকার ছিলেন”।

উক্ত অভিযোগের প্রমান স্বরুপ রেজাউল করিম , কমান্ডার বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ রায়গঞ্জ উপজেলা কমান্ড ও রায়গঞ্জ উপজেলার ততকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল আখতার এর ০৩-০৩-১৬ তারিখে স্বাক্ষরিত বেতনভুক্ত ও অস্ত্রধারী রাজাকারদের তালিকা সংযুক্ত করা হয়।

উক্ত অভিযোগ পত্রে আরো উল্লেখ করা হয় যে , “ মোঃ রায়হান গফুর অথবা তার পরিবারের কোন সদস্য ২০১২ সালের পুর্বে আওয়ামীলীগো সহযোগী সংগঠনের কোন স্তরের সংগে জড়িত ছিলেন না। তিনি ০৬-০১-২০১২ তারিখে ০১৯১০৯ নম্বর রশিদের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহন করেন। রায়হান গফুর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি হয়ে সলঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের মধ্যে বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেন এবং দলের প্রতিটি স্তরে অর্থের বিনিময়ে কমিটির সদস্য অন্তর্ভুক্ত করেন। বিশেষ করে গত ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের নৌকা মার্কার বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেন্সলঙ্গা থানার ৬ টি ইউনিয়নের ৪ টিতে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হয়”।

উক্ত অভিযোগের বিষয়ে জানতে রায়হান গফুরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

(সংবাদের সকল তথ্য প্রমাণ সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র এ প্রতিনিধির কাছে সংরক্ষিত আছে।)

Leave a Reply