ব্রেকিং নিউজ

যেসব কারণে পর’কীয়া প্রেমে আ’সক্ত হচ্ছে প্রবাসীর জীবনসঙ্গীরা

আগের দিনের রাজা বাদশাহর যুগ থেকে কল্প কাহিনীর মুখরোচক গল্প কিংবা বর্তমান যুগে পর’কীয়া প্রেম শব্দটির সাথে  কম বেশী সকলেই পরিচিত ।ঐতিহাসিক রাজতন্ত্রের আমলে রাজা কিংবা রানী পর’কীয়া প্রেমের শি’কার হয়েছেন ।এই ক্ষেত্রে রানীরা ছিলেন এগিয়ে। হাল আমলেও ঘরের স্ত্রীদের সংখ্যাই বেশী বলে প্রতিয়মান।

পুরুষগণ যে খুব একটা পিছিয়ে তা কিন্তু নয় ।নারীদের পর’কিয়া প্রেমে জড়িয়ে যাবার বিভিন্ন কারন থাকলেও পুরষদের বেলায় হিন্দি বা উর্দু ভাষার একটি প্রবাদ অনুপ্রেনার মূল বিষয়। প্রবাদ টি এ রকম “ঘরকা মুরগি ডাল বরাবর”।

এ বিষয়ের উপর হিন্দিতে বেশ কয়েকটি ছবি হয়েছে এখন শুধু মাস্তি ছবিটির নাম মনে পড়ছে ।পুরুষদের বেলায় আমাদের দেশীয় একটি প্রচলিত কথা রয়েছে যেমন অন্যের বউ বেশি সুন্দরী। স্ত্রী দের বেলায় কোন প্রবাদ কিংবা কোন প্রচলিত কথা এখন মনে পড়ছে না ।তবে দীর্ঘ প্রবাস জীবন চাকুরীর সুবাদে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাওয়ার সুযোগে এবং  বিভিন্ন এলাকার মানুষের সাথে মেশার সুযোগে জানা গেছে নানা সত্য ঘটনা । এ ছাড়া পত্রিকা পড়ার বয়স থেকে নানা রকম খু’ন রাহা’জানির নেপথ্যে ছিলো পর’কিয়া প্রেম।

বিবাহিত স্ত্রী বা পুরুষ বিপরীত লি’ঙ্গের প্রতি প্রেম বন্ধনে আবদ্ধ হলে আমদের দেশে আভিধানিক ভাষায় পর’কীয়া বলা হয়।

পাঠকের কাছে  নানা কারন থাকতে পারে ,আমার মতের সাথে একটি কারণের যদি মিল খুঁজে পাওয়া যায় তাহলে আজকের লেখার সার্থকতা।দীর্ঘ সময় স্বামী থেকে দূরে থাকার কারনে স্ত্রীরা পর’কীয়া জড়াতে পারেন।

উঠতি বয়েসের যুবকরা হন সেরা প্রেমিক।যুবক ছেলে লাইসেন্স সহ মেশিন পেয়ে কাম বাসনা মেটাতে অন্যের স্ত্রীকে দেখান স্বপ্ন ।স্ত্রীরা ভুলে যান স্বামী ।অধিকতর স্মার্ট যুবকরা ফায়দা লুটতে পারে ইচ্ছে মত, অর্থ এবং যৌ’ন ক্ষুদা দুটি।দু একটি এমন হয় সঙ্গী বা সঙ্গিনীর স্বামী বা স্ত্রী থাকার পর ও জড়িয়ে যান পর’কীয়ার প্রেম যমুনায় ।

অনেক সময় স্বামী বা স্ত্রী র সাথে পরিচয় করিয়ে দেন তার বন্ধুদের ।প্রবাসীরা নিজের ভাই বন্ধু আত্বীয় স্বজনদের কাউকে বলেন একটু খেয়াল রাখিস ।ব্যাস হয়ে গেল প্রয়োজনের চাইতে একটু বেশী খেয়াল রাখতে গিয়ে শুরু হয়ে যায় পর’কীয়া ।

রসিকতা করে অনেকে মুন্সী টাইপের লোকদের বেশী ছেলে  মেয়ে থাকার উদাহরন দিয়ে থাকেন। সব কিছুর মূলে যে যৌ’ন আকাংখা কাজ করে এর সাথে দ্বিমত পোষন করার কোন কারন আছে বলে মনে হয় না ,এর পাশা পাশি অন্য যুক্তি দেখানো যেতে পারে।

অনেক নারী বিয়ের পূর্বে একাধিক পুরুষের সাথে কিংবা অনেক পুরুষ একাধিক মেয়ের সাথে যৌ:ন সম্পর্ক রাখেন ,একজনের সাথে ও থাকতে পারে ,বিয়ের পর পূর্বের সে সুখ আর খুঁজে পান না জড়িয়ে পড়েন পর’কীয়ায়।

দীর্ঘ দিন স্ত্রীকে প্রেম ভালবাসা যৌ’ন সুখ থেকে বঞ্চিত করা ,প্রবাস জীবন,পুরুষের যৌ’ন দুর্বলতা ,আর্থিক অসচ্ছলতা ,স্ত্রীকে পরিবারে প্রাধান্য না দেয়া ,অধিক শাসনে রাখা , ব্যবসায়িক বা চাকুরীর ব্যস্ততায় স্ত্রীকে সময় না দেয়া ,মল ত্যাগের মত কোন রকম নিজের কাম রস নির্গত করা সঙ্গিনীর চাহিদানুযায়ী রতি মিলন না করা ,নুন্যতম সন্মান ,ভালবাসা থেকে দুরে স্বামী নিজের যৌ’ন রস দিলে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন  ,জানতে চান না সঙ্গিনীর চাহিদা পূর্ণ হয়েছে কিনা?

পরিবারের সবাইকে আপন করে নিতে না পারা ,অপব্যায়ী হওয়া ভিন্ন পুরুষের আসক্তি।গীবত ,জে’দ , নিজের বান্ধবীকে,ছোট বা বড় বোন স্বামীর সাথে বেশী মিশতে দেয়া সহ নানা কারনে স্বামী ভিন্ন স্বাদের জন্য পর’কীয়ায় পড়তে পারেন।

যৌ’ন সুখের লা’লোসায় প্রবাসীর স্ত্রী তুলেন দেন তার কাছে গচ্ছিত রাখা অর্থ ,ই’জ্জত দুটোই .প্রবাসীদের স্ত্রীদের পর’কীয়ার জন্য স্বামীর দীর্ঘ দিন দুরে থাকাকে অনেকে দায়ী করেন।কাছে থাকলে সুখ –দুঃখ, কষ্ট ভাগ করে সুন্দর সুখের নীড় গড়ে তোলা অস্বাভাবিক কিছু নয়।রতি লীলায় যদি স্বামী কিংবা স্ত্রী অপারদর্শী হন তাহলে নতুন সঙ্গী খুঁজে নেয়ার আশংকা সৃষ্টি হয়।এ ক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীর খোলা মেলা আলোচনা ,একে অপরের সাথে ভালো বোঝা পড়া , সঙ্গী -সঙ্গিনীর সমস্যা গুলি দূর করা ,যৌ’ন স’ঙ্গমে সাংসারিক সমস্যা তুলে না ধরা সহায়ক হতে পারে বলে অনেক ডাক্তার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।অন্য দিকে স্কুল,কলেজ,বিশ্ব বিদ্যালয় ,অফিস,আদালত,সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান,প্রবাস সবখানেই চলছে পর’কীয়ার রঙ্গ লীলা।যার কারন একটাই যৌ’ন ক্ষুদা . অফিসের বস,কলিগ,নিম্ন পদস্থ ,উচ্চ পদস্থ ,রাজনীতিবিধ ,সমাজ সেবী,মিডিয়ার লোকজন সহ সবাই প্রেম ভালবাসার জালে যেমন আঁটকাচ্ছেন  তেমনি পড়ছেন পর’কীয়া প্রেমে .ভাঙ্গছে সাজানো গোছানো সুখের সংসার।হচ্ছে খু’ন ,রাহ’জানি .বিশ্বাসের অভাব যেমন কাজ করছে ,অর্থ,লো’ভ-লা:লোসা হিংসা-প্রতি হিংসা ,প্রতি’শোধ পরিবেশ-পরিস্থিতি সব কিছুই যেন দায়ী পর’কীয়া প্রেমের জন্য .একমাত্র বিশ্বাস ,বিশ্বাসের মর্যাদা,ধর্মীয় মূল্যবোধ লোভ লাল’সাহীন জীবন ব্যবস্থাই এই রোগ মুক্তির এক মাত্র পন্থা বলে আমার বিশ্বাস।

লেখা ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীত 

Leave a Reply