ব্রেকিং নিউজ

কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কে ‘অ্যালকোহল ডিটেক্টর’ চালুর আহ্বান তানিয়া সুলতানা হ্যাপির

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনগণের কন্ঠ : মদ বা নেশাজাতীয় দ্রব্য খেয়ে মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো চালকদের সনাক্ত করতে বিশেষ একটি ডিভাইস কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কে অভিযান শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন যুব মহিলা লীগের সহ-তথ্য গবেষনা সম্পাদক তানিয়া সুলতানা হ্যাপি।

আগামীকাল জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে তিনি ফেসবুকে ওই আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘অ্যালকোহল ডিটেক্টর’ নামের ওই যন্ত্র দিয়ে গত ১২ অক্টোবর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড মীরসরাইয়ের বিভিন্ন স্পটে এ অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানটি যেন কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কে চালানো হয় সেটির প্রতি প্রশাসনের নজর দিতে বলেন তিনি।

এসময় তিনি আরো তিনটি দাবি বাস্তবায়নের কথা বলেন

এগুলো হুবহু তুলে ধরা হলো।
আমরা যারা নিয়মিত ভৈরব- কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করি তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে এ সড়কটি। বাড়িতে যতদিন থাকি আমাকে দু থেকে চার বার এ রুটটি ব্যবহার করতে হয়। অফিস, থানা,হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, বাজারে যেতে হলেও এ মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয় অসংখ্য মানুষদের। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে এই রুটটি এখন মৃত্যুপুরী সড়কে পরিনত হয়েছে। ৫ই অক্টোবরের আগের ১০ দিনে ৭জন লোক নিহত হয়েছে। প্রায় অর্ধশত লোক আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরন করেছে। তখনই এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী মিলে মানববন্ধন করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দাবী করেছিলাম ।
আগামীকাল ২২ অক্টোবর। জাতীয় নিরাপদ সড়ক চাই দিবস। আমরা আশা করবো জাতীয় নিরাপদ সড়ক চাই দিবসে নিম্নোক্ত দাবীসমূহ বাস্তবায়ন করে এলাকার জনসেবা নিশ্চিত করা হবে।
০১. ভোগপাড়া হতে মধ্যপাড়া এই ১০কিঃমিঃ রাস্তাকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হোক এবং সর্বোচ্চ গতিসীমা ৪০কিঃমিঃ নির্ধারণ নিশ্চিত করা হোক।

০২. আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মানে বিশেষ করে কার্ভ ম্যানেজমেন্টে কোন ত্রুটি আছে কিনা তা বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে নিরীক্ষাসহ রোড ম্যানেজমেন্ট করা হোক।

০৩. সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে বেশির ভাগই মাদকাসক্ত চালকের জন্য। তাই আমরা অনুরোধ করবো আঞ্চলিক মহাসড়কে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের দ্বারা “এ্যালকোহল ডিটেক্টর” যন্ত্রের মাধ্যমে চালক মাদকাসক্ত কিনা তা পরিক্ষা করা। এতেও অনেকাংশে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ হবে।
নিরাপদ সড়ক চাই দিবসে প্রত্যাশা করি এ মহাসড়কে যাতে অকালে আর কোন প্রাণ না ঝরে, এবং এ সড়কটি যাতে মৃত্যুকূপের পরিবর্তে হয়ে উঠে এ অঞ্চলের মানুষের একটি আধুনিকতম যোগাযোগ মাধ্যম।

দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা ঘোষণাসহ বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে রুট নিরীক্ষা এবং চালকেরা মাদকাসক্ত কি না তা “এ্যালকোহল ডিটেক্টর” যন্ত্র দিয়ে পরিক্ষা করার দাবী জানান তানিয়া সুলতানা হ্যাপি।

Leave a Reply