ব্রেকিং নিউজ

বিয়েতে রয়ছে বহুমুখী উপকারিতা

ইসলাম ডেস্ক : নারী-পুরুষ সৃষ্টিগতভাবেই একে অপরের পরিপূরক। নারী ছাড়া পুরুষ এবং পুরুষ ছাড়া নারীর জীবন অসম্পূর্ণ। আল্লাহ তাআলা হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর হজরত হাওয়া (আ.)-কে তাঁর জীবনসাথীরূপে সৃষ্টি করেন এবং তাঁদের বিয়ের ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে দেন। সেই ধারাবাহিকতা এখনো পৃথিবীতে চলমান। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আর তাঁর (আল্লাহ) নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে যে তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও মায়া সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা রুম, আয়াত : ২১)

বিয়ের বহুমুখী উপকারিতা রয়েছে। যেমন—

১. গুনাহ নিজেকে সংবরণ করার মাধ্যমে নারী-পুরুষ উভয়ের ঈমান ও সতীত্ব রক্ষা করতে পারে।

২. নারী জাতির তত্ত্বাবধান ও রক্ষণাবেক্ষণ হয়।

৩. নারীর সম্মানজনক জীবন-জীবিকা সহজ হয়।

৪. পুরুষ একজন আমানতদার নির্ভরযোগ্য সঙ্গিনী লাভ করে।

৫. বৈধ পন্থায় মানববংশের বিস্তার হয়।

৬. সৃষ্টিগত ও স্বভাবজাত যৌ’নচাহিদা পূরণের বৈধ ও নিরাপদ ব্যবস্থা।

৭. নারী-পুরুষ উভয়ের মানসিক স্বস্তি, তৃপ্তি ও প্রফুল্ল অর্জন হয়।

৮. নবীজিসহ (সা.) সব নবীর একটি মহৎ সুন্নতকে বাস্তবায়ন করা হয়। (সহি মুসলিম : ১৪০০)

৯. মানবশিশু তাদের প্রকৃত পরিচয় লাভ করে এবং সঠিক লালন-পালন ও পৃষ্ঠপোষকতা পায়।

১০. বিয়ের দ্বারা রিজিকে বরকত ও জীবনে প্রাচুর্য আসে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা বিয়ে করো, স্ত্রীরা স্বীয় ভাগ্যে তোমাদের কাছে সম্পদ টেনে আনবে।’ (মুসনাদে বাজ্জার : ১৪০২)

১১. অবিবাহিত থাকলে মানসিক বা শারীরিক রোগ ও জটিলতা তৈরির আশঙ্কা থাকে।

১২. বিয়ের মাধ্যমে অবৈধ যৌ’নতা, এই’ডসের মতো মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার পথ বন্ধ হয়।

১৩. অবৈধ যৌ’ন সম্পর্ক সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট করে।

১৪. বিয়ে মানুষকে সংসারী করে। ফলে পুরুষরা দায়িত্বসচেতন ও কর্মমুখী হয়। ভোগের মানসিকতা দূর হয়। তদ্রুপ নারীরাও দায়িত্বসচেতন ও বাস্তবমুখী হয়।

১৫. স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে উৎসাহ দিয়ে সুন্দর পৃথিবী বিনির্মাণের পথ সুগম করে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নবুয়ত লাভের সময় আকস্মিক ওহিপ্রাপ্তিতে ভয় পেলে হজরত খাদিজা (রা.) তাঁকে অভয় দেন এবং তাঁর পাশে থাকার ঘোষণা দেন।

Leave a Reply