ব্রেকিং নিউজ

পিছিয়ে যেতে পারে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন

জনগণের কষ্ঠ ডেস্ক :

ঘোষণা অনুযায়ী আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন অক্টোবরে হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যেতে পারে। বন্যা ও ডেঙ্গু’র প্রাদুর্ভাবই এর কারণ।

দলটির নীতি নির্ধারনী পর্যায়ের কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা জানা গেছে, কাউন্সিল মাস দুয়েক পিছিয়ে জানুয়ারিতে হতে পারে। যদিও সবকিছু নির্ভর করছে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপর।

দলটির নেতারা বলছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোটামুটি উন্নীত হলেও ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে এখনো সরকারের সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে। ডেঙ্গুকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে সরকার সর্বাত্মক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে। সে হিসেব ধরে অক্টোবরে তৃনমূলের কমিটি গুছিয়ে নভেম্বরে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল হওয়ার একটি সম্ভবনা রয়েছে। তবে নানাদিক বিবেচনায় এই সম্ভবনাও কম। অন্যদিকে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান ও ভারত সফরের কথা রয়েছে। এছাড়া ডিসেম্বরে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হতে পারে। সবদিকের সাথে সমন্বয় করেই ঠিক করা হবে আওয়ামী লীগের দলীয় সম্মেলনের তারিখ।

সার্বিক বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, অক্টোবরে সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত থাকলেও নানা কারণে এখন আর তা হওয়ার সম্ভবনা নেই বললেই চলে। তাছাড়া আমরা এখন ডেঙ্গু মোকাবেলায় সর্বাত্মকভাবে কাজ করছি। ডেঙ্গু পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনাই এখন একমাত্র লক্ষ্য।

‘পরিস্থিতি বিবেচনায় জানুয়ারিতে সম্মেলন হতে পারে। যদিও চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন নেত্রী’- বললেন দলটির এই প্রেসিডিয়াম সদস্য।

দলটির আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, যথাসময়ে দলের সম্মেলন করা বাধ্যতামূলক নয়। কোনো অনুষ্ঠান পড়ে গেলে বা অন্যকিছু ঘটে গেলে জাতীয় সম্মেলনের সময় রদবদল করা যায়। অনেক জায়গায় কিন্তু ১৭ বছরেও সম্মেলন হয়নি। তবে আমরা দলের নিয়মে প্রতি তিন বছরে সম্মেলন করার চেষ্টা করি।

সর্বশেষ আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২২ ও ২৩ অক্টোবর। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পর পর জাতীয় সম্মেলন হওয়ার বিধান রয়েছে। সেক্ষেত্রে আগামী ২৪ অক্টোবর বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হবে।

Leave a Reply