ব্রেকিং নিউজ

সরিষাবাড়ীতে বাড়ীর ভিতর বাণিজ্যিক মুরগীর খামার স্থাপন করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি

ইসমাইল হোসেন,সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি ঃ জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সামর্থবাড়ী গ্রামের মোঃ রইচ উদ্দিনের ছেলে সোহেল রানা(কাউন্সিলর) এর অভিযোগ বাড়ী পরশী তয়েজ উদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান অর্থ ও পেশীশক্তির দাম্ভিকতা দেখিয়ে আবাস্থলেই বাড়ীর ভিতর বাণিজ্যিক মুরগীর খামার স্থাপন করেছে।

যার কারণে জনদুর্ভোগ সহ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে কয়েকটি পরিবার। জানা গেছে প্রায় ২ বৎসর যাবৎ লেয়ার খামারটি স্থাপন করেছে এবং এখানে প্রায় ১৫শ হতে ২ হাজার মুরগী রয়েছে বলে জানা যায়। এই ২ হাজার মুরগীর রাতভর কলরবে শিশুরাসহ বড়রাও ঘুমাতে পারেনা। খাওয়াদাওয়ার সময় অস্বস্তিকর দূর্গ্ধ আসে এবং ময়লায় বসবাসরত বিভিন্ন মশামাছি কামড়ে নানান প্রকার চর্মরোগসহ ডায়রিয়া কলেরা হচ্ছে। যার করণে সামাজিক ভাবে তাদেরকে বারবার অনুরোধ করা শর্তেও তারা কোন কর্ণপাত করেনি বরং খামারটি অপসারণ করবে তো দুরের কথা, ময়লা নিষ্কাশনের ব্যবস্থাটি পর্যন্তও অপরিমার্জিত ভাবে ফেলে রেখেছে।

তাই ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোহেল রানা একজন জনপ্রতিনিধি কিম্বা ভূক্তভোগীদের হিসেবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেন। খামারটি অন্যথায় প্রতিস্থাপন করা কিম্বা বন্ধের জন্য। উক্ত আবেদনটি পাওয়ার প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান খামারটি সর জমিনে পরিদর্শন করেন। এবং তার বাস্তবতার অনুকূলে আবাসিক এলাকায় মুরগীর খামার স্থাপন করেছেন বলে তাকে একটি নোটিশ প্রেরণ করেন। উক্ত নোটিশে বলা হয়েছে আপনি সামর্থবাড়ী গ্রামে জনবসতি এলাকায় বসতবাড়ি সংলগ্ন একটি লেয়ার খামার স্থাপন করেছেন তথা পরিচালনা করে আসছেন।


খামারের র্দূগ্ধে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং লোকজন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই আপনার খামারের বায়োসিকিউরিটি তথা ময়লা নিষ্কাশন ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরী ছিল। কিন্তু নেই, এবং লিটার ব্যবস্থাপনা খুবই নাজুক অবস্থা বলে উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা। আরও বলা হয়েছে এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ এবং পোল্ট্রি নীতিমালা ২০০৮ ও পোল্ট্রি আইন ২০০৫ এর বিরুদ্ধী। তাই উক্ত নোটিশে দপ্তরিক স্মারক নং ৩৩.০১.৮৫০০.০০০.১৬.০০.৩০/০৫/২০১৯ ইং তারিখে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ১মাস সময়ের মধ্যে খামারটি বন্ধ কিম্বা স্থানান্তর করা হলে। আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।

কিন্তু একমাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও। আজও কোন আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তাই উক্ত বিষয়টি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, রেজিঃ ও নিবন্ধন ছাড়া যত খামার রয়েছে এবং যেসব খামার পোল্ট্রি নীতিমালার বর্হির ভূত। সেসব খামার মালিকগণকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানাসহ খামার সীলগালা করা হবে। তাই উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এমনি আলোচনা হচ্ছে বলে জানান।

Leave a Reply