ব্রেকিং নিউজ

জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীরের যৌ*ন কেলে*ঙ্কারি ফাঁ*স

ইসমাইল হোসেন.জামালপুর প্রতিনিধি ঃ মানব কুলে জন্ম নিলেই মানব হওয়া যায় না। যদি তার মধ্যে মনুষ্যত্ব না থাকে। তাই মনুষ্যত্ব সৃষ্টির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। আর সেই শিক্ষা যদি কুশি*ক্ষা হয়। তাহলে সেই মানুষটি দেশ সমাজ ও পরিবারের জন্য অভিশা*প।

আর এই অভিশ*প্ত মানুষের কোন কাজ কল্যাণকর হতে পারে না। যেমনটি হয়েছে জামালপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের বেলায়। জানা গেছে তিনি একজন যৌ*ন সন্ত্রা*সী। তার যৌনকামনার রোষানলে অনেক সুন্দরী নারীই নির্যা*তিত ও ধ*র্ষিত হয়েছে।একাধিক সূত্রে জানা গেছে ২৭ মে ২০১৭ সালে আহমেদ কবীর জামালপুর জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন।

কিন্তু তিনি যোগদানের কিছুদিন পরেই তার অফিস কক্ষের ভিতরেই একটি ছোট্ট নান্দনিক বেড*রুম তৈরী করেন। যেখানে তার ব্যক্তিগত বিভিন্ন কাজ অভয়ে সমাধান করতেন বলে জানা যায়। তার এই গো*পনীয় বেডরুমের রহস্য নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে গুঞ্জ*নের বাতাস বয়তে থাকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অঙ্গনে। তবুও তিনি সকল সমালোচনা উপে*ক্ষা করে চালিয়ে যেতেন তার মনুষ্যত্বহীন কর্মকা*ন্ড।

গত ১৫ আগষ্ট CAM2 নামে একটি ক্যামেরা দ্বারা রেকর্ডকৃত ৪ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও খন্দকার সোহেল আহমেদ নামে একটি ফেসবুক আইডিতে আপলোড করা হয়। ভিডিওটিতে দেখা যায় একটি সুন্দরী রমণীর সাথে অ*ন্তরঙ্গ লীলা*য় মুগ্ধ আহমেদ কবীর। তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে চু*মু খাচ্ছে এবং আলি*ঙ্গন করছে। জানা গেছে যে নারীটি জেলা প্রশাসকের খাসকামরায় মধুর সঙ্গো*পনে লিপ্ত তার নাম সানজিদা ইয়াসমিন সাধনা। তিনি এই জেলা প্রশাসকের মাধ্যমেই সাম্প্রতিক নিয়োগ পাওয়া একজন (এমএলএসএস) বা পিয়ন পদে কর্মরত কর্মচারী। এই কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অশ্লী*ল ভিডিওটি আপলোড করার পর থেকেই নি*ন্দার ঝড় উঠেছে সারা জামালপুর জুড়ে।
*
বিষয়টি জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর প্রতিবাদ জানানোর জন্য গতকাল ২৩ আগষ্ট বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন ভিডিওটি মি*থ্যা ষড়যন্ত্র9*মূলক বানানো। এর কোন বৃত্তি নেই। কে বা কারা ভিডিওটি নির্মাণ করে আমার সম্মানহানি করতে পায়তারা করছে। বিষয়টি প্রশাসনিক ভাবে তদন্ত চলছে। এদিকে ভোররাত থেকেই র*হস্য*জনক ভাবে যে ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি আপলোড লিংক দেয়া হয়ে ছিলো।সেটি ফেসবুক ওয়াল থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

কিন্তু অন্ত*রালের গুণী মহল বলছে রক্ষক যদি বক্ষক হয়। তাহলে সাধারণ জনগণের নিরা*পত্তা কোথায়। কোথায় গিয়ে বিচার পাবে নারী তার সম্ভ্রমের। যদি সতীত্ব বিলিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে বেছে নিতে হয় তার কর্মজীবন। তাহলে নারীজাতির মুক্তি আজও অনিশ্চিত বলে মনে করছেন গুণী মহল।

Leave a Reply