ব্রেকিং নিউজ

কেমন হওয়া দরকার আফগানদের বিপক্ষে টাইগারদের টেস্ট দল

গত পাঁচ বছর ধরে এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেটকে দেখছে বিশ্ব!! ওয়ানডে ফরম্যাটে এক ভয়ংকর দলে পরিনত লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ওডিআইতে যেকোনো দলকে হারানোর সামর্থ্য মাশরাফিদের আছে, কিন্তু ভিন্ন চিত্র টেস্ট ফরম্যাটে এখনো সাদা পোশাকে তেমন শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ…. যদিও মাঝে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডকে, হারিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে জ্বলে উঠার আভাস দিয়েছিলো টাইগাররা। কিন্তু পরে সেই ধারাবাহিক ধরে রাখতে পারেনি তারা!

কিছুদিন আগেই শুরু হয়ে গেছে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। বাংলাদেশের মিশন শুরু নভেম্বরে ভারতের সাথে, কোহলিদের দেশে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচ খেলবে সাকিবরা! এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের পাঁচ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া একমাত্র টেস্টে মুখোমুখি হবে সদ্য টেস্ট স্টাটাস পাওয়া আফগানিস্তান প্রতিপক্ষ যোজনে যোজনে এগিয়ে থাকা সাকিবের বাংলাদেশ।

টেস্ট ফরম্যাটে বাংলাদেশের তেমন বড় কোনো পারফর্মার নেই যে একাই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিবে। হাতে গোনা কয়েকজন থাকলেও অন্যদের উপর ভরসা করা বোকামি ছাড়া আর অন্যকিছুই নয়! টেস্ট দলে কিছু ব্যাটসম্যান আছে যারা ওয়ানডে স্টাইলে টেস্টে ব্যাট করে থাকে, ধৈর্য বলতে কিছু নেই তাদের। সেই তাদের বাদ দিয়েই আসন্ন আফগানিস্তানের সাথে টেস্ট ম্যাচ এবং টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য….! আমার ব্যক্তিগত দল আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম,, জানি অনেকেই প্রশ্ন করবেন ওই প্লেয়ার কি দোষ করলো সে কেনো বাদ পড়লো আরো নানান প্রশ্ন করতে পারেন আপনারা। তাই আগেই বলে নিচ্ছি এখানে আবেগ দিয়ে দল সাজাইনি যাকে আমার টেস্ট দলের জন্য উপযুক্ত মনে হয়েছে তাকেই নিয়েছি। অনেকেই বলবেন তামিম কেনো নেই তাদের বলছি, আফগানিস্তানের সাথে তামিম না থাকায় জহুরুল ইসলামকে নিয়েছি তামিম ফিরলে সে বাদ!!

ওপেনিংয়ে তামিম না থাকায় সাদমান জহুরুলের উপরই আস্থা রাখছি আশা করি ভালো করবে।

টেস্ট ফরম্যাটে বাংলাদেশের আশার আলো মমিনুল হক টপ অর্ডারে ব্যাট করবে তিনি, তিনিই টেস্টে বাংলাদেশের সফল ব্যাটসম্যান! তার কাছে অনেক চাওয়া সামনে তাই নিরদ্বিধায় তাকে দলে রেখেছি।

বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বর্তমানে নিজের সেরা ফর্মে আছেন। সামনে আফগানিস্তান এবং টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে যদি তার এই পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারেন তাহলে বাংলাদেশের জন্য সোনায় সোহাগা।

এরপর মির্ডল অর্ডারে আছেন রান মেশিন মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিম। তার ব্যাট দলের প্রয়োজনে যেকোনো সময়ই জ্বলে, শুধু তার কিপিংটা নিয়ে চিন্তা তারপরও তাকেই ভরসা রাখছি কিপিংয়ে!

মিডল অর্ডারে আরো যারা আছেন! নাজমুল হোসেন শান্ত অভিষেক টেস্টেই নজর কেরেছিলেন কিন্তু একটার বেশি ম্যাচ খেলা হয়নি তার। তাকে নিয়মিত টেস্টে সুযোগ দিলে খুব ভালো পারফর্মেন্স দেখাবে,,

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ টেস্টে ততটা সফল না হলেও তাকে নিলাম! কারণ গতবছর টেস্টে তার সেরা সময়টা তিনি পার করেছেন।

বাংলাদেশের হয়ে স্পিন নেতৃত্ব দেয়ার জন্য সাকিবতো আছেনই। সাথে মেহেদী, তাইজুল, নাঈম, মোসাদ্দেকদের মতো সেরা তরুণ স্পিনার আছেন।

পেস আক্রমণে চমক বলতে গেলে তাসকিন ছাড়া অভিজ্ঞ কাউকে রাখিনি! ইবাদত খালেদের মতো গতিময় পেসার বেছে নিয়েছি, আমার বিশ্বাস এই পেস ইউনিটিই সফল হবে দেশে বিদেশে… টেস্ট ফরম্যাটের জন্য এই তিনজনই সেরা বোলার আমার মতে।

আমার এই দলে সবচেয়ে বড় চমক সাইফ হাসান। এই ক্রিকেটারকে নিয়ে অনেক বড় স্বপ্ন আছে আমার বিশ্বাস এই ক্রিকেটারই একদিন দেশ সেরা ব্যাটসম্যান হবে,, ওকে নিয়মিত সুযোগ দিতে হবে প্রথমই টেস্টে বাজিয়ে দেখা যেতে পারে আশা করি ভালো ফলাফল দিবে।

এই দল থেকে বাদ পড়েছেন, সাব্বির রুম্মান, সৌম্য সরকার, লিটন দাস রুবেল হোসেন।

কিছুদিনের মধ্যেই আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজ এবং সামনের বছর অস্ট্রেলিয়াতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য। আমার সেরা স্কোয়াডটা তুলে ধরবো সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।

Leave a Reply